PRINCIPAL

PRINCIPAL

“সন্তান আপনার সুশিক্ষা দানের দায়িত্ব আমাদের।” এই ব্রত নিয়ে বেগম তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া মহিলা কলেজ দীর্ঘ ৪০ বছর ধরে সাফল্যের সাথে নারী শিক্ষা বিস্তারে এক অনন্য ভূমিকা পালন করে আসছে। উপমহাদেশের প্রখ্যাত সাংবাদিক তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া’র সহধর্মিনী মরহুমা মাজেদা বেগম এঁর নামে ১১ জানুয়ারী, ১৯৮৫ খ্রিষ্টাব্দে এ কলেজটি প্রতিষ্ঠিত হয়। দক্ষ মানবসম্পদ গঠনে শিক্সার যেমন বিকল্প নেই, ঠিক তেমনি নারী শিক্ষা ব্যতীত শিক্ষিত জাতি গঠনও সম্ভব নয়। এই গুরু দায়িত্ব অনুধাবন করে আজ থেকে কয়েকশত বছর পূর্বে নেপোলিয়ান বোনাপোর্ট বলেছিলেন “তোমরা আমাকে শিক্ষিত মা দাও, আমি তোমাদের শিক্ষিত জাতি দেব।” ঐতিহ্যবাহী এ কলেজটি প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে দক্ষিণ বঙ্গের নারী শিক্ষা বিস্তারে ঈর্ষনীয় ভূমিকা পালন করে আসছে। আর এই সুমহান গুরু দায়িত্ব পালনে অত্র কলেজের সম্মানিত গভর্ণিং বডি, শিক্ষক-কর্মচারী ও ছাত্রীবৃন্দ সকলেই অহর্নিশ প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এ কলেজে শিক্ষার্থীদের সার্বিক নিরাপত্তা বিধানের ব্যবস্থাপনাসহ বিশ^ায়নের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় তাদের সৎ, দক্ষ, যোগ্য ও সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার জন্য আমরা সর্বতোভাবে প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। শিক্ষা, সংস্কৃতি, কর্মেদ্রোহে প্রযুক্তি প্রবাহে এ কলেজটি হবে সমৃদ্ধ ও উন্নততর। শিক্ষকতা কোন পেশা নয় এটি একটি মহান ব্রত। এই মহান দীক্ষায় দীক্ষিত হয়ে অত্র কলেজের সম্মানিত শিক্ষকবৃন্দ শিক্ষার্থীদের মাঝে আলো প্রদীপ জ্বালিয়ে আসছেন। ভবিষ্যতেও এ ধারা অব্যাহত থাকবে বলে আমার বিশ্বাস। ২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তিকৃত সকল ছাত্রীকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। ঐতিহ্যবাহী এ কলেজের শিক্ষার্থী হিসেবে তোমরা নিয়মিত কলেজে উপস্থিত ও লেখাপড়ার পাশাপাশি নিয়মিত সহশিক্ষা কার্যক্রমে অংশগ্রহন করবে এবং মা-বাবার পরেই সম্মানিত শিক্ষকদের শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করবে। তোমরা কলেজের নিয়ম শৃঙ্খলা ও আচরনবিধি মেনে চলবে। কেবল ভালো ফলাফল অর্জন করলেই চলবে না সাথে সাথে সততা, নিষ্ঠা, উন্নত চরিত্রের ও গুনাবলীর অধিকারী হয়ে ভালো মানুষ হতে হবে। পরিশেষে তোমরা প্রকৃত শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে দেশ ও জাতির সেবায় আত্মনিয়োগ করবে এই প্রত্যাশা ও শুভকামনা করি।